মনের আকাশ
শহিদুল ইসলাম আকাশ
লিখতে বসেছি। লেখার জেদ যখন খুব করে পেয়ে বসে, তখন আর কিছুই মনে থাকে না--পরদিন সকাল আটটায় উঠতে হবে, দুটো চারটা মিটিং আছে, দুটো চারটা সভাসমিতি ও সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হবে--মনে থাকে না এসব কিছুই।
কিন্তু লিখতে বসেও লেখা এগোচ্ছে না। মনের মধ্যে, মস্তিষ্কের নিউরনে একটা গল্প সাজিয়ে রেখেছিলাম, দিনমান হাজার ব্যস্ততার মধ্যেও। লিখতে বসার পর, কেমন যেন খেই হারিয়ে ফেললাম।
চেয়ারটেবিল ছেড়ে উঠে জানালার পাশে এসে জানালাটা খুলে দিলাম। জানালার ওপাশে অনেকখানি আকাশ দেখা যায়। রাতের নিশ্ছিদ্র অন্ধকারেও আমি সেই আকাশের দিকে তাকিয়ে রইলাম।
দীর্ঘ সময় পর আমি চোখ বন্ধ করে গল্পটা আরেকবার সাজিয়ে নিতে চেষ্টা করতে লাগলাম। হঠাৎ দেখি, অন্ধকার আকাশে জোছনার মতো একটি অসম্ভব সুন্দর মেয়ের মুখ ভেসে উঠলো মনের পর্দায়। মেয়েটির কাজলমাখা চোখ, গোলাপের পাপড়ির মতো একজোড়া ঠোঁট, হাওয়ায় উড়ছে তার দীঘল কালো চুল। বললাম, 'কে তুমি?' মেয়েটি বললো, 'আপনার না-লেখা গল্পের একটি চরিত্র আমি।' বললাম, 'তুমি এতো সুন্দর! আমি কি আমার কোনো লেখায় কখনো তোমার মতো এমন অপরূপ রূপের বর্ণনা দিতে পেরেছি, কখনো?' হাসলো মেয়েটি, বললো, 'নিশ্চয় পেরেছেন। অনেক বেশি পেরেছেন। কিন্তু একটা প্রশ্নও ছিলো...?' বললাম, 'কী প্রশ্ন?' মেয়েটি বললো, 'আপনার প্রায় সব লেখারই নারী চরিত্রগুলো অসাধারণ সুন্দরী হয়, কেন?' আমি মেয়েটির প্রশ্নের জবাব দিলাম না। চোখ খুলে জানালার ওপাশের আকাশের দিকে তাকালাম আবার।
কিছু সময় পর আমি আবার চোখ বন্ধ করে মেয়েটিকে দেখতে চেষ্টা করতে লাগলাম। তার প্রশ্নের উত্তর দেবারও তাগিদ অনুভব করতে লাগলাম খুব। কিন্তু না, মেয়েটি আর এলো না। পৃথিবীর আকাশের সাথে মানুষের মনের আকাশেরও মিল অনেক--এখানেও জোছনা যেমন আছে, আছে কৃষ্ণপক্ষের ঘোর অমানিশাও। কী অদ্ভুত!
লিখতে বসেছি। লেখার জেদ যখন খুব করে পেয়ে বসে, তখন আর কিছুই মনে থাকে না--পরদিন সকাল আটটায় উঠতে হবে, দুটো চারটা মিটিং আছে, দুটো চারটা সভাসমিতি ও সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে হবে--মনে থাকে না এসব কিছুই।
কিন্তু লিখতে বসেও লেখা এগোচ্ছে না। মনের মধ্যে, মস্তিষ্কের নিউরনে একটা গল্প সাজিয়ে রেখেছিলাম, দিনমান হাজার ব্যস্ততার মধ্যেও। লিখতে বসার পর, কেমন যেন খেই হারিয়ে ফেললাম।
চেয়ারটেবিল ছেড়ে উঠে জানালার পাশে এসে জানালাটা খুলে দিলাম। জানালার ওপাশে অনেকখানি আকাশ দেখা যায়। রাতের নিশ্ছিদ্র অন্ধকারেও আমি সেই আকাশের দিকে তাকিয়ে রইলাম।
দীর্ঘ সময় পর আমি চোখ বন্ধ করে গল্পটা আরেকবার সাজিয়ে নিতে চেষ্টা করতে লাগলাম। হঠাৎ দেখি, অন্ধকার আকাশে জোছনার মতো একটি অসম্ভব সুন্দর মেয়ের মুখ ভেসে উঠলো মনের পর্দায়। মেয়েটির কাজলমাখা চোখ, গোলাপের পাপড়ির মতো একজোড়া ঠোঁট, হাওয়ায় উড়ছে তার দীঘল কালো চুল। বললাম, 'কে তুমি?' মেয়েটি বললো, 'আপনার না-লেখা গল্পের একটি চরিত্র আমি।' বললাম, 'তুমি এতো সুন্দর! আমি কি আমার কোনো লেখায় কখনো তোমার মতো এমন অপরূপ রূপের বর্ণনা দিতে পেরেছি, কখনো?' হাসলো মেয়েটি, বললো, 'নিশ্চয় পেরেছেন। অনেক বেশি পেরেছেন। কিন্তু একটা প্রশ্নও ছিলো...?' বললাম, 'কী প্রশ্ন?' মেয়েটি বললো, 'আপনার প্রায় সব লেখারই নারী চরিত্রগুলো অসাধারণ সুন্দরী হয়, কেন?' আমি মেয়েটির প্রশ্নের জবাব দিলাম না। চোখ খুলে জানালার ওপাশের আকাশের দিকে তাকালাম আবার।
কিছু সময় পর আমি আবার চোখ বন্ধ করে মেয়েটিকে দেখতে চেষ্টা করতে লাগলাম। তার প্রশ্নের উত্তর দেবারও তাগিদ অনুভব করতে লাগলাম খুব। কিন্তু না, মেয়েটি আর এলো না। পৃথিবীর আকাশের সাথে মানুষের মনের আকাশেরও মিল অনেক--এখানেও জোছনা যেমন আছে, আছে কৃষ্ণপক্ষের ঘোর অমানিশাও। কী অদ্ভুত!

Comments
Post a Comment