অন্ধকার উইংস
শহিদুল ইসলাম আকাশ
কয়েকদিনের অসুস্থতা আজ একটু ভালোর দিকে। সুস্থবোধ হওয়ায় কিছুক্ষণ টিভি দেখলাম তারপর বই পড়লাম। এখন কিছু লেখার চেষ্টায় মোবাইলটা হাতে নিয়ে বসে আছি। দেখি, কিছু লিখতেটিখতে পারি কিনা!
হঠাৎ দেয়ালে ঝুলানো ঘড়িটার দিকে চোখ গেলো আমার। দেখি, ঘড়ির কাটা প্রায় পাঁচঘন্টা পেছানো। ঘড়িটা বন্ধ। মোবাইলে সময় দেখাই নিয়ম এখন, ঘড়িতে সময় এখন আর কে দেখে! তবু এখন হাতঘড়ি যেমন সময় দেখার চেয়ে ফ্যাশনের অন্যতম অনুসঙ্গই শুধু, দেয়ালঘড়িও ঘরের দেয়ালের সৌন্দর্য্যের জন্যই রাখা। সন্ধ্যায় আমার স্ত্রী ফোন করে ঘড়ির জন্য ব্যাটারি আনতে বলেছিলো। এনেছিও, সেই ব্যাটারি ঘড়িটাতে লাগানো হয়নি।
চাইলেই এখনই ব্যাটারিগুলো লাগিয়ে দিয়ে ঘড়িটাকে সচল করে দেওয়া যায়। কিন্তু এই মুহূর্তে সেই ইচ্ছে হচ্ছে না আমার।
ঘড়ির কাঁটা থাক না উল্টোদিকেই, কী আসে-যায়! তাতে কি আর সময় বদলায়! উঁহু, বদলায় তো না। সময় চলে তার নিজস্ব নিয়মে। চলতে চলতে জীবনটা একদিন ফুরিয়েই যায়, বড্ড তাড়াতাড়িই--হাজার অস্বীকারেও এই নির্মম সত্যকে মুছে ফেলা যায় না কিছুতেই।
জীবনটাকে নাটকের মঞ্চ বলেছিলেন কোনো এক মহামনীষী। বলেছিলেন, সব মানুষই তার অভিনেতা এবং অভিনেত্রী। তা কি ঠিক?
ভিন্নমতের কোনো কারণও অবশ্য নেই। নাটকের মঞ্চের কুশীলবরা যেমন একদিকে মঞ্চে প্রবেশ করে অন্যদিকের অন্ধকার উইংসের ভেতর দিয়ে অদৃশ্য হয়ে যায়--জীবনেরও আছে এমন নিবিড় অন্ধকার উইংস। স্বল্পালোকিত এই মঞ্চ ছেড়েও, অন্ধকার উইংসের ভেতরে, একটা সময়ে এসে অদৃশ্য হয়ে যেতে হয় সবাইকে। সেই উইংসের ভেতরেও হয়তো অপেক্ষারত থাকে মঞ্চ ছেড়ে আসা অন্য কুশীলবেরাও--নাটকেরই মঞ্চের মতো।
এসব ভাবতে ভাবতে আরেকবার দেয়ালঘড়িটার দিকে তাকালাম আমি, তারপর মোবাইলের ঘড়িতে। দেয়ালঘড়িটার সময় থমকে থাকলেও, মোবাইলের ঘড়িটা থেমে নেই। সেই ঘড়ি জানান দিচ্ছে--সময় সচল এবং তা দ্রুতই ধাবমান।
কয়েকদিনের অসুস্থতা আজ একটু ভালোর দিকে। সুস্থবোধ হওয়ায় কিছুক্ষণ টিভি দেখলাম তারপর বই পড়লাম। এখন কিছু লেখার চেষ্টায় মোবাইলটা হাতে নিয়ে বসে আছি। দেখি, কিছু লিখতেটিখতে পারি কিনা!
হঠাৎ দেয়ালে ঝুলানো ঘড়িটার দিকে চোখ গেলো আমার। দেখি, ঘড়ির কাটা প্রায় পাঁচঘন্টা পেছানো। ঘড়িটা বন্ধ। মোবাইলে সময় দেখাই নিয়ম এখন, ঘড়িতে সময় এখন আর কে দেখে! তবু এখন হাতঘড়ি যেমন সময় দেখার চেয়ে ফ্যাশনের অন্যতম অনুসঙ্গই শুধু, দেয়ালঘড়িও ঘরের দেয়ালের সৌন্দর্য্যের জন্যই রাখা। সন্ধ্যায় আমার স্ত্রী ফোন করে ঘড়ির জন্য ব্যাটারি আনতে বলেছিলো। এনেছিও, সেই ব্যাটারি ঘড়িটাতে লাগানো হয়নি।
চাইলেই এখনই ব্যাটারিগুলো লাগিয়ে দিয়ে ঘড়িটাকে সচল করে দেওয়া যায়। কিন্তু এই মুহূর্তে সেই ইচ্ছে হচ্ছে না আমার।
ঘড়ির কাঁটা থাক না উল্টোদিকেই, কী আসে-যায়! তাতে কি আর সময় বদলায়! উঁহু, বদলায় তো না। সময় চলে তার নিজস্ব নিয়মে। চলতে চলতে জীবনটা একদিন ফুরিয়েই যায়, বড্ড তাড়াতাড়িই--হাজার অস্বীকারেও এই নির্মম সত্যকে মুছে ফেলা যায় না কিছুতেই।
জীবনটাকে নাটকের মঞ্চ বলেছিলেন কোনো এক মহামনীষী। বলেছিলেন, সব মানুষই তার অভিনেতা এবং অভিনেত্রী। তা কি ঠিক?
ভিন্নমতের কোনো কারণও অবশ্য নেই। নাটকের মঞ্চের কুশীলবরা যেমন একদিকে মঞ্চে প্রবেশ করে অন্যদিকের অন্ধকার উইংসের ভেতর দিয়ে অদৃশ্য হয়ে যায়--জীবনেরও আছে এমন নিবিড় অন্ধকার উইংস। স্বল্পালোকিত এই মঞ্চ ছেড়েও, অন্ধকার উইংসের ভেতরে, একটা সময়ে এসে অদৃশ্য হয়ে যেতে হয় সবাইকে। সেই উইংসের ভেতরেও হয়তো অপেক্ষারত থাকে মঞ্চ ছেড়ে আসা অন্য কুশীলবেরাও--নাটকেরই মঞ্চের মতো।
এসব ভাবতে ভাবতে আরেকবার দেয়ালঘড়িটার দিকে তাকালাম আমি, তারপর মোবাইলের ঘড়িতে। দেয়ালঘড়িটার সময় থমকে থাকলেও, মোবাইলের ঘড়িটা থেমে নেই। সেই ঘড়ি জানান দিচ্ছে--সময় সচল এবং তা দ্রুতই ধাবমান।

Comments
Post a Comment